1
1
ডিএম কণ্ঠ ডেস্ক :
সংবাদ প্রতিবেদক : কাজল
৫৫ বছর পরে দেড় কোটি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা তাঁদের সাংবিধানিক মৌলিক ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন। এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন। এ উপলক্ষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে অগণিত শুকরিয়া আদায় করেছেন প্রবাসীরা।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন—
নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, ইনসাফ ও সৎকাজের নির্দেশ দেন।
(সূরা আন-নাহল : ৯০)
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হওয়াকে ন্যায়বিচার ও ইনসাফের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির পক্ষ থেকে তাঁর সরকারকে জানানো হয়েছে গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।
১৮ বছর পর স্বৈরাচারমুক্ত, স্বাধীন ও নির্ভয় পরিবেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাজ্য থেকে অসংখ্য প্রবাসী ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা দেশে ফিরছেন ভোটাধিকার প্রয়োগ ও গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে।

এই ধারাবাহিকতায় ইউকে বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ নেতা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, এমসি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, ১৯৯১ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার পতনের আন্দোলনের বিপ্লবী সৈনিক এবং ২৪ জুলাই বিপ্লবের অগ্র সৈনিক, লেবার পার্টির সিএলপি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইন, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র, তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও বিএনপি নেতা অহিদ আহমেদ, লোটন বিএনপির বিশিষ্ট নেতা শাহনাজ আহমেদসহ আরও বহু নেতৃবৃন্দ স্বদেশে গমন করছেন।

এ উপলক্ষে লোটন বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর তাঁরা যুক্তরাজ্য থেকে স্বৈরাচারমুক্ত পরিবেশে তাঁদের মহামূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেশে যাচ্ছেন—যা তাঁদের জীবনে এক আবেগঘন ও গৌরবময় মুহূর্ত।
তাঁরা আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে, তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতেই তাঁরা স্বদেশে যাচ্ছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত হওয়ায় রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকার গঠনে তাঁদের দায়িত্বশীল মতামত প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে—যা বহু আগেই হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন সচেতন মহল। দেরিতে হলেও এই ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী অধ্যায় হয়ে থাকবে।প্রবাসীদের ভোট, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যথাযথভাবে কাজে লাগানো হলে দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে—ইনশাআল্লাহ।
শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন,
আসুন, আল্লাহর উপর ভরসা করে ঐক্যবদ্ধ হই।
প্রবাসী শক্তিতেই গণতন্ত্রের বিজয় হবে।”
