1
1
ডিএম কণ্ঠ স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ গেজেট প্রকাশ করেছে, যেখানে দেশের মসজিদে কর্মরত ইমামদের গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এ নীতিমালায় ইমামদের জন্য বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দিকনির্দেশনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
নীতিমালায় ইমামদের জন্য জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৯ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে ইমামের মূল (Basic) বেতন ও ভাতা-ভিত্তিক আনুমানিক আয় নিচে তুলে ধরা হলো—
| শ্রেণি | গ্রেড | Basic বেতন | মোট (ভাতা সহ) |
|---|---|---|---|
| ইমাম | ৯ম | ≈ ২২,০০০ টাকা | ≈ ৩৫,০০০ টাকা/মাস |
বেতন কাঠামো অনুসারে ইমামের মাসিক মোট আয় হিসাব করা হলে—
এই এরিয়া অনুযায়ী ইমামদের জন্য মোট আয় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হিসাবে ধরা হয়েছে, যদিও বাস্তবে ভাতা বা সুবিধা নীতিমালায় নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভাতা বাস্তবায়িত হবে।
নীতিমালায় ইমামদের জন্য বছরে ২টি ঈদ বোনাস প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রতিটি বোনাস ইমামের এক মাসের Basic বেতনের সমপরিমাণ, অর্থাৎ—
➡️ বছরে ঈদ বোনাস = ২২,০০০ × ২ = ৪৪,০০০ টাকা
এই বোনাস মূল বেতনভুক্ত নয় — আলাদা সুবিধা হিসেবে ইমামদের দেওয়া হবে।
নীতিমালায় উল্লেখ আছে—
✔️ ইমামদের নিয়োগের জন্য সাত সদস্যবিশিষ্ট বাছাই কমিটি গঠিত হবে
✔️ কমিটির সুপারিশ ব্যতীত সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না
✔️ মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা অনুসারে বেতন-ভাতা কম বা বেশি হতে পারে
✔️ পাঞ্জেগানা ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মসজিদে বেতন সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারণের সুযোগ রয়েছে
২০২৫ সালের এই নতুন মসজিদ নীতিমালার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইমামদের বেতন, ভাতা এবং পেশাগত মর্যাদা আরও সুসংহত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মজীবীরা। বাস্তবে এর সুষ্ঠু কার্যক্রম ইমামদের আর্থিক নিরাপত্তা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।