1
1
নিজস্ব প্রতিবেদক, ডিএম কণ্ঠ | গাজীপুর
তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আসন্ন ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গাজীপুরে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জিএমপি কমিশনার জনাব মো. ইসরাইল হাওলাদার। সভায় নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত সকল বাহিনী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমন্বিত প্রচেষ্টায় গুরুত্বারোপ
সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার জনাব মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন, “একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া আমাদের সবার জাতীয় দায়িত্ব। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।” তিনি নির্বাচন চলাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকল সংস্থাকে পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার কঠোর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উপস্থিত প্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতামত
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা নিজ নিজ বাহিনীর প্রস্তুতি তুলে ধরেন এবং নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভোটারদের নির্বিঘ্নে চলাচলের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন। কমিশনার মহোদয় সকলের মতামত গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন যারা
উক্ত গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:

জনাব মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস), জিএমপি।
গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং র্যাবের প্রতিনিধিগণ।
ডিজিএফআই, এনএসআই ও আনসার বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
সিভিল সার্জন ও জেলা নির্বাচন অফিসার।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ গাজীপুরের প্রতিনিধিবৃন্দ।
জিএমপির সকল উপ-পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ (ওসি)।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষে দিকনির্দেশনা
সভায় নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বজায় রাখা, স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন এবং জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের সেবা দ্রুত নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া গুজব প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন কমিশনার।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের এই যৌথ তৎপরতা ভোটারদের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি করবে এবং ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে একটি মডেলে পরিণত করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।